• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১৪ আশ্বিন ১৪২৭
Bangla Bazaar
Bongosoft Ltd.

যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার গ্যাস, ঘটতে পারে দুর্ঘটনা


নিজস্ব প্রতিবেদক | বাংলাবাজার প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২০, ০৯:০৯ পিএম যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার গ্যাস, ঘটতে পারে দুর্ঘটনা

বগুড়ার শেরপুরে সরকারি অনুমতির তোয়াক্কা না করে, যত্রতত্র বিক্রয় হচ্ছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম (এলপিজি) গ্যাসের সিলিন্ডার, পেট্রোল দাহ্য পদার্থ। সিলিন্ডার গ্যাস ও জ্বালানী তেল ব্যবসায় বিস্ফোরক লাইসেন্স আবশ্যক। অথচ বিষ্ফোরক লাইসেন্স ছাড়া জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে এসব জ্বালানী তেল ও গ্যাস। পরিবেশ ও অবৈধভাবে সংরক্ষণে যে কোন সময় বিস্কোরণ সহ প্রাণহানির দূর্ঘনার আশঙ্কা রয়েছে।

 

 

 

 

 

সরকারি অনুমোদিত পেট্রোলপাম্প ছাড়া পেট্রোলজাতীয় দাহ্য পদার্থ বিক্রির বিধান নেই। কিন্তু তা উপেক্ষা করে শেরপুর পৌরশহর সহ বিভিন্ন গ্রামের হাট, বাজার বা রাস্তার মোড়ে মোড়ে বিপদজনক এই পদার্থ এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের পাশাপাশি জারিকেন ও বোতলে পেট্রোল দাহ্য পদার্থ বিক্রি হচ্ছে। তবুও যেন কারোও নজরে আসছেনা বিষয়টি।

 

 

 

সরেজমিনে দেখা যায়, শেরপুর পৌর এলাকার হাসপাতাল মোড়, বাসষ্ট্যান্ড খেঁজুরতলা, হাটখোলা রোড, কলেজ রোড, খামারকান্দি বাজার, সেরুয়া বটতলা, মহিপুর বাজার, গোসাইপাড়া থানার সামনের দোকানে গুলোতে, সকাল বাজার মোদিখানার দোকানে, চাউলের দোকানসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি গ্রামের বাজার এলাকার মোদিখানা ও ঔষধের দোকানে এসব গ্যাস সিলিন্ডার অবাধে বিক্রয় করা হচ্ছে।

 

 

 

এসবের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা না করায় দিন দিন বেড়ে চলেছে দোকানের সংখ্যা। কোমল পানীয়র বোতলে ভরে পেট্রোল বিক্রি করা হচ্ছে। এসব দোকানের পেট্রোল ক্রেতাকে অনেক দোকানি চেনেন না বা জানেন না। এটি খুবই বিপজ্জনক। দুষ্কৃতদের হাতে পেট্রোল চলে যেতে পারে। শুধু ভ্রম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা করাই নয় এর বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে প্রশাসনের, কঠোর হলেই বেঁচে যেতে পারে অনেক দূর্ঘনা।

শেরপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মো. রতন হোসেন বলেন, সড়কের ধারে সাজিয়ে রেখে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করা খুবই বিপজ্জনক। এছাড়া যত্রতত্র পেট্রোল বা দাহ্য পদার্থ বিক্রির কারণে ভয়াবহ অগ্নিকাসহ প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে।

 

 

 

এ বিষয়ে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. লিয়াকত আলী শেখ বলেন। দাহ্য পদার্থ বিক্রির সুনির্দিষ্ট বিধিমালা আছে। যত্রযত্র বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের কর্মকান্ডে জড়িত থাকলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।