• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১৪ আশ্বিন ১৪২৭
Bangla Bazaar
Bongosoft Ltd.

আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মেয়ের কবরের পাশে অনশনে বাবা


নিজস্ব প্রতিনিধি | বাংলাবাজার প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০, ১২:২৪ পিএম আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মেয়ের কবরের পাশে অনশনে বাবা

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার রামকেশব গ্রামে মেয়ের মৃত্যুর জন্য দায়ী আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে এখন মেয়ের কবরের পাশেই অনশনে বসেছেন আবুল কামাল কালু।

জানা গেছে, বোরহানউদ্দিনের চর গঙ্গাপুর দাখিল মাদরাসার নবম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী ছিল আবুল কামাল কালুর একমাত্র মেয়ে ফারজানা আক্তার। গ্রামের বাড়িতে দাদির কাছে থাকতো ফারজানা।

গরীব আবুল কালাম কালুর স্বপ্ন ছিল মেয়েকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করে বিসিএস ক্যাডার বানানোর। আর তাই গ্রামের বাড়ি ছেড়ে স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকায় গিয়ে ট্রাকচালকের কাজ নেন।

গত ২৯ আগস্ট সকালে মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে ছুটে আসেন গ্রামের বাড়িতে। পরদিন বোরহানউদ্দিন থানায় ৭ জনকে আসামি করে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করেন।

এ ঘটনায় মো. মাইনুউদ্দিন (৫৫) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলেও ঘটনার ১৭ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি মামলার প্রধান আসামি মো. মিরাজ হোসেন কামালসহ মিনারা বেগম, ইউসুফ, নিরু বেগম, মো. কুদ্দুস ও মহিউদ্দিন নামে বাকি আসামিরা।

তাই মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মেয়ের কবরের পাশে অনশনে বসেছেন আবুল কালাম কালু।

তিনি জানান, মেয়ের এমন মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তিনি। মাদকাসক্ত বখাটে মিরাজ, তার বাবা ইউসুফ ও মা মিনারাসহ মামলার আাসমিরা ফারজানাকে প্রতিনিয়ত চরিত্রহীন অপবাদ দিয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেয়ায় সে আত্মহত্যা করেছে।

মামলার প্রধান আসামিসহ সকল আসামি গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত মেয়ের কবরের পাশে অনশন করবেন তিনি।

চর গঙ্গাপুর দাখিল মাদরাসার শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন জানান, ফারজানা আমাদের মাদরাসার মেধাবী ছাত্রী ছিল। তার আত্মহত্যার মূল রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান তিনি।

ভোলার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, মাদরাসা ছাত্রী ফারজানার ময়নাতদন্তের রিপোর্টে আত্মহত্যা এসেছে।

তবে আমরা আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা অধিক গুরুত্ব দিয়ে গোয়েন্দা নিয়োগ করা করেছি। পলাতক আসামিরা দ্রুত গ্রেপ্তার হবে।