• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১৪ আশ্বিন ১৪২৭
Bangla Bazaar
Bongosoft Ltd.

সেঞ্চুরিতেই বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ


নিজস্ব প্রতিবেদক | বাংলাবাজার প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০, ১২:১৩ পিএম সেঞ্চুরিতেই বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ

ভারত গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করার পরই দেশের পাইকারি ও খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকা।  

সরকার ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের মাধ্যমে পেঁয়াজের দামে লাগাম টানার চেষ্টা করলেও রাজধানীতে বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে বাঙালির রসনা বিলাসের অপরিহার্য অনুষঙ্গ পেঁয়াজ।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ৬০ টাকার পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা দরে। বুধবারও খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

দেশি পেঁয়াজ কেজি প্রতি ১০০ টাকা এবং ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার তারা যে দরে পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন, আজও সেই দরেই বিক্রি করছেন। বুধবার পেঁয়াজের দাম বাড়েনি, আবার কমেওনি। কমার সম্ভাবনাও নেই বলে জানিয়েছেন তারা।

এ ব্যাপারে মিরপুর ১০ নম্বর সেকশনের এক দোকানদার, গতকাল আমরা দেশি পেঁয়াজ ১০০ টাকা এবং ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ৭০ টাকা দরে বিক্রি করেছি।

আজও একই দরে বিক্রি করছি। পাইকারি বাজারের আজকের পেঁয়াজের দর জানি না। তবে খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার কারণে আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

পাইকারি বাজার থেকে ৮৫ টাকা করে কিনে ১০০ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন বলে জানালেন মিরপুর ১০ নম্বর সেকশনের আইডিয়াল স্কুলের পেছনে ফুটপাতের আলু ও পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম।

তিনি বলেন, আজ সকালে প্রতি কেজি ৮৫ টাকা দরে দেশি পেঁয়াজ কিনে এনেছি। পরিবহন খরচ প্রতি কেজিতে ৫ টাকা করে গেছে। এর জন্য ১০০ টাকা দরে বিক্রি করতে হচ্ছে।

ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ গতকালও ৬৫ টাকা করে বিক্রি করেছি। আজ ৭০ টাকা দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় আমাদেরও পেঁয়াজ বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে, এক বিক্রেতার।

এদিকে ব্যবসায়ীরা মঙ্গলবারের চেয়ে কেজিতে ১০ টাকা করে বেশি নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন গৃহিণী রহিমা খাতুন।  

তিনি বলেন, গতকাল ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ৬০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৯০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। আজ সেটি ৭০ এবং ১০০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।

সুযোগ পেয়েই অসাধু ব্যবসায়ীরা টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। জানি না এ অবস্থা থেকে আমরা কবে মুক্তি পাব।